টালমাটাল অর্থনীতি আর রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই আগামীকাল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচন। দলের প্রতীক কেড়ে নেয়ায় এবারের নির্বাচনে দলীয়ভাবে লড়তে পারছে না সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল-পিটিআই। তবে স্বতন্ত্র হিসেবে মাঠে রয়েছেন দলটির প্রার্থীরা। পাশাপাশি বিভিন্ন মামলায় দোষি প্রমানিত হওয়ায় ইমরান খান না থাকার সুযোগ লুফে নেয়ার চেষ্টায় রয়েছে তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী পিএমএলএন পার্টির নওয়াজ শরিফ।
রাত পোহালেই ভোট পাকি¯তানে। এদিন দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ জাতীয় পরিষদের সদস্যদের বেছে নেবেন প্রায় ১৩ কোটি ভোটার। ভোটগ্রহণ হবে বেলুচি¯তান, খাইবার পাখতুনখোয়া, পাঞ্জাব ও সিন্ধ প্রাদেশিক সরকার নির্বাচনেও। এরই মধ্যে শেষ হয়েছে প্রচার প্রচারণা। সরঞ্জাম পৌঁছানো হচ্ছে নির্বাচনী এলাকাগুলোতে।
জাতীয় পরিষদের ৩৩৬ আসনের জন্য এবার লড়ছেন ৫ হাজারের বেশি প্রার্থী। এর মধ্যে ২৬৬ জন জনগণের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন। বাকি ৭০টি সংরক্ষিত আসন। পরে পার্লামেন্টের সদস্যদের ভোটে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। যার জন্য কমপক্ষে ১৬৯ জন পার্লামেন্ট সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন।
এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দল পিএমএল-এন, বিলাওয়াল ভুট্টোর পিপিপিসহ ছোট-বড় বেশ কয়েকটি দল। তবে নির্বাচনের মাঠে নামতে দেয়া হয়নি ইমারন খানের দল পাকি¯তান তেহরিক-ই-ইনসাফ পিটিআইকে। কয়েকটি মামলায় দোষী হওয়ায় তাকে নির্বাচনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, কেড়ে নেয়া হয়েছে তার দলের প্রতীক। এজন্য দলটির প্রার্থীরা সবাই স্বতন্ত্র হিসেবেই লড়ছেন। ফলে প্রধানমন্ত্রীর হিসেবে নওয়াজ শরিফের নামই উঠে আসছে বেশি।
সংবাদ মাধ্যমগুলো বলছে, বারের নির্বাচনে কোনো একক দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। সেক্ষেত্রে চমক দেখাতে পারেন ইমরান খানের দল পিটিআইয়ের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। যা সরকার গঠনের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলবে বেশ।